বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নরসিংদী থেকে ১০-১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দির উদ্দেশে রওনা হয়। রাত সাড়ে আটটার দিকে মরিচাকান্দি লঞ্চঘাটের সামনে মেঘনা নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী নৌকার সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়।

বালুবাহী নৌকাটি ওপরে উঠে যাওয়ায় স্পিডবোট ঘটনাস্থলে ডুবে যায়। এ সময় এলাকাবাসী নদী থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত মাহবুবুর রহমানকে প্রথমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক। ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। আর ফরিদ মিয়াকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে স্পিডবোট ডুবে যাওয়ায় চালক রুবেল মিয়া ওরফে ভুট্টু নিখোঁজ হয়।

স্পিডবোটডুবির ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুতের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আহমেদ শাহরিয়ার, ফুটবল খেলোয়াড় সুমন সরকার, স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব মিয়াসহ পাঁচ যাত্রী আহত হন। তাঁদের মধ্যে আহত আহমেদ শাহরিয়ারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

এদিকে খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে নরসিংদীর করিমগঞ্জ বাজারের নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা বেলা সাড়ে ১১টা থেকেই নিখোঁজ চালকের সন্ধানে অভিযান চালান। বেলা আড়াইটার দিকে মেঘনা নদীর স্পিডবোট ডুবে যাওয়ার স্থল মরিচাকান্দি লঞ্চঘাট থেকে নিখোঁজ চালক রুবেল লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নরসিংদীর করিমপুর বাজারের নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোহাম্মদ দাউদ প্রথম আলোকে বলেন, নৌ পুলিশের ছয় সদস্যের একটি দল নিখোঁজ স্পিডবোটচালকের লাশ উদ্ধারের অভিযান চালায়। বেলা সাড়ে ১১টায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে স্পিডবোট ডুবে যাওয়ার ঘটনাস্থল থেকে চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন