খোঁজ নি‌য়ে জানা যায়, মেসার্স মা ট্রেডার্স কাজটি হারুন-অর রশীদ ও আজাদ না‌মের দুই ব্যক্তির কা‌ছে বি‌ক্রি ক‌রে দেয়। তাঁরা ভবন‌টির নির্মাণ ক‌রে রঙের কাজ শেষ করেছেন। কিন্তু ভেতরের কিছু কাজ এখনো শেষ করা হয়নি।

প্রধান শিক্ষক ইয়াছিন আলী জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন শ্রেণিকক্ষের জানালা, বেঞ্চ, বৈদ্যুতিক পাখা, শৌচাগারের পানির সংযোগ দেওয়ার কাজ না করে চলে যান। বিদ্যালয়ে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী আছে। ‌বিদ্যালয়টি ভালোভাবে পরিচালনা করতে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়সহ ১৪টি কক্ষের প্রয়োজন। বর্তমানে শ্রেণিকক্ষ রয়েছে মাত্র ৬টি। করোনাকালীন দেড় বছর বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এখন শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, তিনি কাজটি শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগিদ দিচ্ছেন।

সাব ঠিকাদার হারুন-অর-রশী‌দের মুঠোফো‌নে ফোন করা হলে তি‌নি ব‌লেন, ‘ওই ভব‌নের কাজ‌টি আমার ব্যবসায়িক অংশীদার আজাদ হো‌সেনের দা‌য়ি‌ত্বে করা হ‌চ্ছে। তি‌নি সম্প্রতি আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তাঁর স‌ঙ্গে কথা হ‌য়ে‌ছে। খুব দ্রুত সব কাজ শেষ ক‌রে ভবন‌টি যথাযথ কর্তৃপ‌ক্ষের কা‌ছে হস্তান্তর করা হ‌বে। গত মঙ্গলবার কিছু বেঞ্চ বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যালয় ভবনের বাকি কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন