বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুরুল মুরশিদ। জানতে চাইলে মনজুরুল মুরশিদ বলেন, আগামী সোমবার তদন্তের কাজ শুরু হবে। ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

খুলনা জেনারেল (সদর) হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন প্রকাশ কুমার দাশ। বিদেশগামী ব্যক্তিদের কোভিড পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। ওই পরীক্ষার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও চিঠি দিয়েছে সিভিল সার্জনের কার্যালয়।

খুলনা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গত ডিসেম্বরে খুলনার সিভিল সার্জন হিসেবে যোগ দেন নিয়াজ মোহাম্মদ। ওই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কও তিনি। যোগদান করার পর জানতে পারেন ওই হাসপাতালে কোভিড পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকেরা সিভিল সার্জনের নাম করে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। গত এপ্রিলে ব্যাপারটি প্রমাণিত হওয়ার পর ওই হাসপাতাল থেকে কোভিড পরীক্ষার কাজে স্বেচ্ছাসেবকদের বাদ দেওয়া হয়। আর বিদেশগামী ব্যক্তিদের কোভিড পরীক্ষার মূল দায়িত্বে থাকা প্রকাশ কুমারের কাছে সব পরীক্ষার তথ্য ও হিসাব চাওয়া হয়। তদন্তে দেখা যায়, প্রকাশ কুমারের জমা দেওয়া টাকার সঙ্গে ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার অসংগতি রয়েছে। পরদিন প্রকাশ কুমারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চিঠি দেন সিভিল সার্জন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ওই টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল। সকালের দিকে অফিসে এসে দুপুরের দিকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যান প্রকাশ কুমার। এর পর থেকে আর তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, সদর থানায় করা সাধারণ ডায়েরির কাগজ দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুদক খুলনা কার্যালয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মহাপরিচালকের দপ্তরে বিস্তারিত জানিয়ে চিঠি দেওয়ার পর সেখান থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন