বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আশপাশের দোকানের ক্রেতা-বিক্রেতাদের হইচইয়ের শব্দে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম। সেখানে সেবাপ্রত্যাশীদের দাঁড়িয়ে থাকার মতো পর্যাপ্ত জায়গাও নেই। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়েই সেখানে অপেক্ষায় করছেন সেবাপ্রত্যাশীরা। এদিকে পাশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণকেন্দ্রের দুটি কক্ষেও চলছে তথ্য বিভাগের কাজ। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছোটাছুটি করতে হচ্ছে বলে অনেকেরই চোখে-মুখে বিরক্তির ছাপ।

ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বারেক তালুকদার বলেন, ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের নারায়ণপুর বাজার এলাকায় একটি ভাঙাচোরা টিনের ঘরে পরিষদের কার্যক্রম চলছিল। ২০০২ সালে সেটিও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়। পরে পরিষদের কার্যক্রম চালানোর মতো উপযুক্ত কোনো স্থান পাওয়া যায়নি। এরপর ২০০৩ সাল থেকে পরিষদের কার্যক্রম চালানোর জন্য চেয়ারম্যান জহিরুল মোস্তফা তালুকদার পয়ালী বাজারে তাঁর একটি ব্যক্তিগত ভবনের দুটি কক্ষ নেন। প্রায় ১৯ বছর ধরে বিনা ভাড়ায় সেখানেই প্রায় ৪৮ হাজার ইউনিয়নবাসীর সেবা চলছে।

নাগরিকত্বের সনদ প্রদান, ত্রাণ বিতরণ, পাসপোর্টের আবেদন, বাসিন্দাদের গৃহকর আদায়সহ আরও বেশ কিছু দাপ্তরিক কাজ চলছে সেখানে। পাশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণকেন্দ্রে চলছে জন্ম, মৃত্যু, চারিত্রিক ও ওয়ারিশ সনদ প্রদানের কাজ।

default-image

ইউনিয়নের সারপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর খান বলেন, ইউপির কোনো স্থায়ী কার্যালয় না থাকায় তাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এক জায়গার কাজ হচ্ছে দু-তিন জায়গায়। এতে ভোগান্তি হচ্ছে। সময়েরও অপচয় হচ্ছে।

জানতে চাইলে ইউপির চেয়ারম্যান জহিরুল মোস্তফা তালুকদার বলেন, ইউপি ভবন নির্মাণের জন্য কমপক্ষে ২৫ শতাংশ জায়গা দরকার। কেউ দান না করায় জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কোনো ভবনও নির্মাণ করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ভবন ও পাশের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইউপির কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা হক বলেন, মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ইউপি ভবন নির্মাণের জন্য কেউ জায়গা দান করছেন না। সমস্যাটি সমাধানের জন্য তিনি চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন