বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চতুর্থ বর্ষের (২০১৬-১৭) প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীর জন্য ২০ অক্টোবর আবাসিক হল খোলা হবে। বাকি তিন বর্ষের শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে হলে ওঠানো হবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার উদ্দেশ্যে বাকি তিন বর্ষের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পরীক্ষা চলমান থাকবে। গত ৩ অক্টোবর প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনলাইন পরীক্ষার নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে তা বর্জন করেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রফিকুল আলম বলেন, আগামী মাসে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের অনলাইনের পরীক্ষা শেষ হয়ে যাবে। বর্তমানে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনার সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ধাপে ধাপে বাকি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আবাসনের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অনুসরণ করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা টিকা কার্ড প্রদর্শন করে হলে প্রবেশ করতে পারবেন। যেসব শিক্ষার্থী কোভিড-১৯ এর টিকা গ্রহণ করতে পারেনি তাঁদের জন্ম নিবন্ধন সনদসহ ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এর আগে করোনা সংক্রমণের কারণে চুয়েটের সাতটি হলই দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। সেই বন্ধ হলের দরজা খোলার খবরে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত। তাঁরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হলে ফেরা নিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। আনন্দ বিনিময় করছেন।

চতুর্থ বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, সবুজে ভরা এই প্রাঙ্গণ আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। হল খুলে যাচ্ছে। এখন ক্যাম্পাস জমজমাট হয়ে ওঠার অপেক্ষা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন