বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, আরিফকে কেউ ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়নি। তিনি নিজে থেকেই লাফ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে আরিফের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় তাঁর মা আফরোজা দোজার বাদী হয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, তাঁর ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। ৮ নভেম্বর তাঁর ছেলে বাসা থেকে বের হন। এরপর যোগাযোগ করলে তাঁকে বিরক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন। সর্বশেষ গত সোমবার বিকেলে ফোন করে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন আরিফ।

আরিফের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলের সহকারী ব্যবস্থাপক রাহফাত সালমান প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ সার্বিক সহযোগিতা করছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল দাশ প্রথম আলোকে বলেন, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় আরিফ লাফ দেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। চট্টগ্রামে আসার আগে কয়েকবার বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন আরিফ। মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ বিষয়টি জানে। আরিফ ১০ বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন তাঁর চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং করান। কথায় কথায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া করতেন। গত সোমবার মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাসা ছেড়ে চলে যান আরিফ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন