বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রেসক্লাব যশোর, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, যশোর সংবাদপত্র পরিষদ, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে কবরস্থানেই দোয়া করা হয়। অন্যদের মধ্যে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান, যশোর সংবাদ পরিষদের সভাপতি একরাম উদ দ্দৌলা, সাধারণ সম্পাদক মোবিনুল ইসলাম, নিহত শামছুর রহমানের ছোট ভাই জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার সাজেদ রহমান, প্রেসক্লাব যশোরের সাবেক সভাপতি এস এম তৌহিদুর রহমান, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক এইচ আর তুহিন প্রমুখ।

স্থানীয় সাংবাদিক, পুলিশ ও আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ১৬ জুলাই রাতে সাংবাদিক শামছুর রহমান যশোরে নিজ কার্যালয়ে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় ২০০১ সালে সিআইডি ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর বর্ধিত তদন্তের নামে মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়ে আসামিদের ঘনিষ্ঠজনদের সাক্ষী করা হয়। এতে একদিকে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, অন্যদিকে দুর্বল হয়ে যায় অভিযোগপত্র।

এরপর ২০০৫ সালের জুন মাসে যশোরের স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলার অভিযোগ গঠন হয়। ওই বছরের জুলাই মাসে বাদীর মতামত ছাড়াই মামলাটি খুলনার দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করা হয়। এ অবস্থায় মামলার বাদী নিহত শামছুর রহমানের স্ত্রী সেলিনা আকতার লাকি বিচারিক আদালতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টে আপিল করেন।

আপিল আবেদনে সেলিনা আকতার বলেন, মামলার অন্যতম আসামি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিরক পলাতক আছেন। হিরকসহ সংশ্লিষ্ট অন্য আসামিদের সঙ্গে খুলনার সন্ত্রাসীদের সখ্য রয়েছে। ফলে তাঁর (বাদী) পক্ষে খুলনায় গিয়ে সাক্ষী দেওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

বাদীর এমন আপিল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মামলাটি কেন যশোরে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না এই মর্মে রুল জারি করেন। এরপর মামলায় বর্ধিত তদন্তে সংযুক্ত আসামি সাংবাদিক ফারাজী আজমল হোসেন উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করেন। সেই রিটের নিষ্পত্তি না হওয়ায় শামছুর রহমান হত্যাকাণ্ড মামলার সব কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন