বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে কসমিক কালচারের সাধারণ সম্পাদক যোয়েল কর্মকার জানান, করোনার কারণে চলতি বছর ম্যারাথনের উদ্যোগ নিলেও পরে তা স্থগিত করা হয়। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় এই আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমানে বরিশাল ম্যারাথনও এআইএমএসের সহযোগী সদস্য পদ লাভ করেছে।

যোয়েল কর্মকার বলেন, ২৮ জানুয়ারির ম্যারাথনে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আবেদন করা যাবে। ইতিমধ্যে বরিশালের ৩৩ জন নারী–পুরুষ আবেদন করেছেন। সব মিলিয়ে ৪০০ মানুষ এতে অংশ নিতে আবেদন করেছেন।

যোয়েল কর্মকার আরও জানান, ২৮ জানুয়ারি বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের প্রথম গেট থেকে ম্যারাথন দৌড় শুরু হবে। এটি নগরের নতুন বাজার, হাসপাতাল রোড, জেলখানার মোড়, সদর রোড, জিলা স্কুল মোড়, রাজাবাহাদুর সড়ক, শিশুপার্ক মোড়, চাঁদমারী মোড়, ডিসি বাসভবন মোড়, বাহাদুর শাহ সড়ক, জিলা স্কুল মোড়, সদর রোড, জেলখানার মোড়, হাসপাতাল রোড, নতুন বাজার, মড়কখোলার পুল, লাকুটিয়া সড়ক, বাবুগঞ্জ বাজার, বরিশাল বিমানবন্দর, বাবুগঞ্জ বাজার, লাকুটিয়া সড়ক, মড়কখোলার পুল, রামকৃষ্ণ মিশন হয়ে পুনরায় বিএম কলেজ প্রথম গেটে গিয়ে শেষ হবে।

ক্যাটাগরিভিত্তিক অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব, হাফ ম্যারাথন ১৬ বছর বা তদূর্ধ্ব, ১০ কিলোমিটার রান ১৪ বছর বা তদূর্ধ্ব এবং ৫ কিলোমিটার রান ১০ বছর বা তদূর্ধ্ব। ম্যারাথনে অংশ নেওয়া নারী–পুরুষদের আলাদাভাবে পুরস্কার দেওয়া হবে।

এদিকে ম্যারাথন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কসমিক কালচারের সভাপতি ডা. অনিষ মণ্ডল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন