default-image

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার উপলক্ষ উদযাপনে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে চলেছে বরগুনা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফানুস (স্কাই ল্যান্টান) ওড়ানোর মধ্য দিয়ে এ রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বরগুনা সায়েন্স সোসাইটি। বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ইতিমধ্যে সর্ববৃহৎ ফানুস বানানোর কাজ প্রায় সম্পন্ন করে এনেছে সংগঠনটি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ২৮ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় বরগুনার সার্কিট হাউস মাঠে এ ফানুস ওড়ানো হবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বরগুনা জেলা প্রশাসন। এ আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ফানুস উড়বে দেশের উপকূলীয় জেলা বরগুনার আকাশে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ফানুসটির নাম রাখা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু-২০২১’। এর উচ্চতা ৫০ ফুট এবং ৩৪ ফুট ৮ ইঞ্চি প্রশস্ত। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়ার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ফানুসটি তৈরি করছে বরগুনার সায়েন্স সোসাইটি।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য থেকে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফানুস ওড়ানোর রেকর্ড রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার। ৩৮ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতা এবং ৩২ ফুট ৯ ইঞ্চি প্রশস্তের (৩৮ হাজার ৩৬০ দশমিক ২ ঘনফুট আয়তন) ফানুসটি ওড়ানো হয় কলম্বিয়ার কাওকা অঞ্চলের বলিভার শহরে। ২০০৯ সালের ১১ জানুয়ারি জেসুস আলবার্তো জুনিগা গুজমান নামের একজন এ ফানুস উড়িয়ে জায়গা করে নিয়েছেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

বিজ্ঞাপন
default-image

বরগুনা সায়েন্স সোসাইটির সভাপতি আকিল আহমেদ বলেন, ‘৪০ ফুট উচ্চতার ফানুস বানিয়েও আমরা সর্ববৃহৎ ফানুসের ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়তে পারতাম। কিন্তু তা না করে স্বাধীনতার ৫০ বছরকে পৃথিবীর বুকে স্মরণীয় করে রাখতে ৫০ ফুট উচ্চতার ফানুস ওড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি আমরা।’

সায়েন্স সোসাইটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মো. জুলফিকার আমিন বলেন, ২৫ মার্চ বরগুনা সায়েন্স সোসাইটির ১১ জন দক্ষ সদস্য এ ফানুস তৈরির কাজ শুরু করছেন। ২৮ মার্চ রাতে বরগুনার সার্কিট হাউস মাঠে ফানুসটি ওড়ানো হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ব রেকর্ড গড়া একটি আনন্দের বিষয়। মুজিব বর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়াকে স্মরণীয় করতে আমরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশা করছি, আমাদের এ উদ্যোগ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে। এ উদ্যোগের ফলে স্থানীয় মানুষ একটি আনন্দঘন পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন