বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সাফু বলেন, ইজারা দেওয়ার কারণে খালের দুই পাশের অন্তত ২ হাজার হেক্টর জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খালটি উন্মুক্ত করায় মানুষ উপকৃত হবে। নানাবিধ কাজে এই খালের পানি ব্যবহার করতে পারবে।

ইউএনও রাশেদুর রহমান বলেন, খালটি বদ্ধ জলাশয় হিসেবে উপজেলা প্রশাসন থেকে ইজারা দেওয়া হয়। এতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এবং উপজেলা জলমহাল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কংশুর খালটির ইজারা বাতিল করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে এলাকার মানুষ আগের মতো জোয়ার-ভাটার পানি ব্যবহার করতে পারবে। চাষাবাদেও এ খালের পানি ব্যবহার করা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন