বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় রোজিনাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় তিনি পুলিশের পরামর্শে চাঁদপুর মডেল থানায় চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতন আইনে দুটি মামলা করেন। এরপর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম উদ্দিন তাঁকে থানায় বসিয়ে তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখেন অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন সেই পতাকা কেটে টুকরা টুকরা করছেন। এ সময় রোজিনার ছোট ভাই রিয়াদ গাজী পতাকা কাটতে বাধা দেন। তখন পুলিশ উল্টো রিয়াদকে আটক করে থানা নিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে পতাকা, সেলাই মেশিনসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

রোজিনা বলছেন, দীর্ঘ ৮ মাস পার হলেও পুলিশ সেই পতাকা ও মালামাল ফেরত দেয়নি। উল্টো মামলা করার কারণে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে পতাকাটি ফিরে পেতে চান। সেই সঙ্গে তাঁর যে ক্ষতি হয়েছে, সেটাও তাঁকে দিতে হবে। তিনি নিজের নিরাপত্তা দাবি করে তাঁর মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

চাঁদপুর মডেল থানার বর্তমান ওসি আবদুর রশিদ বলেন, ‘এটি আমার আসার আগের ঘটনা। বিষয়টি আমার পুরোপুরি জানা নেই। তবে আমি জেনেছি পতাকাটি পুলিশের হেফাজতে আছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন