বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যমুনার তীরবর্তী চন্দনবাইশা নিজামউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় ভবনের নিচতলা এখনো জলমগ্ন। বিদ্যালয়ের মাঠও পানিতে থই থই করছে। এই বিদ্যালয়ে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে পাঠদান কার্যক্রম অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। একই চিত্র দেবডাঙ্গা আমিনা জাহান উচ্চবিদ্যালয়েও। যমুনার ঢলের পানিতে গতকাল বুধবার পর্যন্ত নিমজ্জিত রয়েছে উত্তর টেংরাকুড়া উচ্চবিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৯০০।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্টের শেষে এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে যমুনার ভাঙনে বিলীন হয়েছে মানিকদাইড়, নোয়ারপাড়া, ও চর দলিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

আর গত বছর করোনার সংক্রমণ শুরুর পর দেড় বছরে নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে মাছিরপাড়া ও আউচারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী চরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবির বলেন, সব মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ লাখ টাকার অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। এগুলোর মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সারিয়াকান্দির ইউএনও রাসেল মিয়া বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঠদানের উপযোগী করতে কাজ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন