বিজ্ঞাপন

সম্রাটকে দেখতে হলে যেতে হবে ফরিদপুর শহর থেকে আনুমানিক পাঁচ কিলোমিটার দূরে শহরতলীর বিল মাহমুদপুর গ্রামে। ওই গ্রামে মাইশা ডেইরি ফার্ম নামে একটি গরুর খামার আছে। এ খামারেই বেড়ে উঠেছে সম্রাট।

ঈদুল আজহায় বিক্রির জন্য গরুটিকে প্রস্তুত করেছেন মাইশা ডেইরি ফার্মের মালিক রফিকুল ইসলাম। গরুটির ওজন ৩৩ মণ। পাঁচ ফুট আট ইঞ্চি উচ্চতার ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুর বয়স দুই বছর আট মাস। খামারি গরুটির দাম নির্ধারণ করেছেন ১০ লাখ টাকা।

জন্মের পর থেকে সম্রাটের পরিচর্যা করেছেন সালাম শেখ (২২) নামের এক তরুণ। তাঁর বাড়ি সিরাজগঞ্জে। জন্মের সময় এটি দেখতে ছিল নাদুসনুদুস। সালাম রফিকুলকে বলেছিলেন, ওর নাম সম্রাট রাখা হোক। কারণ, ওর আচার–আচরণ সম্রাটের মতো। কাউকেই পরোয়া করত না গরুটি। এটি বড় না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করবেন না। সালামের কথা রেখেছেন রফিকুল।

রফিকুলের মা শিরিন বেগম বলেন, গরুটির প্রতি মায়া জমে গেছে। ওকে বিক্রি করে দেওয়া হবে, এ সিদ্ধান্ত জানার পর থেকে তাঁর মনে শান্তি নেই।

রফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁর খামারে আরও দুটি গরু আছে। তবে সেগুলোর নাম নেই। এর মধ্যে একটির ওজন ৮ মণ, অপরটির ৯ মণ। ঈদুল আজহার জন্য প্রস্তুত করা সম্রাট নামের গরুটি তিনি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নূরুল্লা মো. আহসান বলেন, বুধবার থেকে কোরবানির পশুর হাট চালু হবে। তবে সম্রাটকে কেনার ক্রেতা ফরিদপুর অঞ্চলে পাওয়া কঠিন হবে। তাই সম্রাটকে ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামে নিয়ে গেলে প্রত্যাশিত দামে বিক্রি করা সম্ভব হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন