বিজ্ঞাপন

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবদুন নুর ও স্থলবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড টেকনাফের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী আজ সকালে প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঈদ উপলক্ষে স্থলবন্দর বন্ধ থাকলেও মিয়ানমার থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কাঠবোঝাই কার্গো ট্রলার ৬টি, হিমায়িত মাছের ট্রলার ৫টি, পেঁয়াজভর্তি ৪টি, আচার, সুপারি, বরই ও তেঁতুলবোঝাই ট্রলারসহ ১৭টি ট্রলার স্থলবন্দরে এসে জেটিতে নোঙর করেছে। আজ সকাল থেকে এসব ট্রলার থেকে শ্রমিকেরা মালামাল খালাসে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে বাংলাদেশ থেকে বিকেলের দিকে প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের পণ্যবাহী একটি ট্রলার মিয়ানমারের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

জসিম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, ঈদের চারদিন বন্ধ থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় স্থলবন্দরে থাকা যেসব মালামালের রাজস্ব আদায় করা ছিল, সেগুলো ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরবরাহের ব্যবস্থা করছিল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ স্থলবন্দরটি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেরুনতলি এলাকায় অবস্থিত। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সীমান্ত চোরাচালানকে নিরুৎসাহিত করার জন্য ১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এ বন্দর চালু করা হয়। ঈদ উপলক্ষে ১৩ মে সকাল থেকে ১৬ মে পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল এবং আজ থেকে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়েছে।

স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আমিন বলেন, চার দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় আমদানি–রপ্তানি সচল হয়েছে। মিয়ানমার থেকে পণ্যবাহী ট্রলার জেটিতে ভিড় করছে। পণ্যবাহী ট্রলার থেকে মালামাল খালাস চলছে পুরোদমে। কাস্টম ও বন্দর কর্তৃপক্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের এভাবে সহযোগিতা করলে ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানিতে আরও উৎসাহিত হবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন