default-image

লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ জেলে মো. মনির হোসেন মৃধার (৩২) লাশ চার দিন পর আজ বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা-সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর ধুলিয়া লঞ্চঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গত শনিবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে তেঁতুলিয়া নদীর বাদামতলীর পূর্ব সীমানায় ঢাকা-পায়রাবন্দরগামী একটি লঞ্চের ধাক্কায় জেলে নৌকাটি ডুবে যায়। ওই সময় নৌকাটি নদীতে তলিয়ে যায় এবং নৌকায় থাকা মো. রাসেল (২৭) ও মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার (২৩) নদীতে পড়ে আহত হন। নিখোঁজ হন মো. মনির হোসেন মৃধা। তাঁদের তিনজনের বাড়ি উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে। পেশায় তিন ব্যক্তিই জেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকাল ছয়টার দিকে ধুলিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় স্থানীয় জেলেরা একটি লাশ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে মনিরের স্বজনেরা ছুটে যান এবং ওই লাশ মনিরের বলে শনাক্ত করেন।

বিজ্ঞাপন

জসিম উদ্দিন বলেন, গত শনিবার রাতে বাদামতলীর পূর্ব সীমানায় নদীতে জাল ফেলে টেনে ওঠাচ্ছিলেন তাঁরা। দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে অ্যাডভেঞ্চার-১১ লঞ্চটি তাঁদের নৌকায় ধাক্কা দেয়। ওই সময় নৌকাটি ভেঙে তলিয়ে যায়। তাঁদের চিৎকার শুনে পাশে থাকা অপর একটি জেলে নৌকা এসে তাঁকে (জসিম) ও রাসেলকে উদ্ধার করে। কিন্তু মনিরকে পাওয়া যায়নি।

এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অ্যাডভেঞ্চার-১১ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. নয়ন মৃধা। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, অ্যাডভেঞ্চার-১১ লঞ্চটি ঢাকা থেকে পায়রাবন্দর এলেও ওই রাতে তাঁদের লঞ্চ কোনো দুর্ঘটনা ঘটায়নি। তাঁদের হয়রানি করার জন্য ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে।

বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আল মামুন লাশ উদ্ধারের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন