বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল হানান জানান, তিনি আইনজীবীর সহকারীর কাজ করতে এসেছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদরে। কিছুদিন কাজ করার পর জানতে পারেন এসএসসি পাস ছাড়া কাউকে আইনজীবী সহকারীর পরিচয়পত্র দেওয়া হয় না। এটা ২০১৭-১৮ সালের দিকের ঘটনা। এ সময়ই জেদ চাপে এসএসসি পাস তাকে করতেই হবে। এ জন্য ২০১৮ সালে তিনি লেখাপড়ার জন্য ভর্তি হন তেলকুপি জামিলা পারভিন কারিগরি ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে।

আবদুল হান্নানের এমন সাফল্যে খুশি তাঁর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তেলকুপি জামিলা পারভিন কারিগরি ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক আনারুল ইসলাম। তিনি বলেন, কারিগরি বোর্ডের নিয়ম অনুয়ায়ী ১২ বছরের ঊর্ধ্বে যে কেউ নবম শ্রেণিতে ভর্তি হত পারে। এখানে বয়সের কোনো বাধা নেই। এ সুযোগের কারণেই এই বয়সে এসেও আবদুল হান্নান পড়ালেখা করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি জিপিএ–৪.১১ পেয়ে পাস করেছেন। এ বছর তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৯ জন এসএসসি পাস করেছে। এর মধ্যে আবদুল হান্নানই বয়সে সবচেয়ে বড়।

স্থানীয় বিনোদপুর উচ্চবিদ্যালয়র শিক্ষক অহিদুল ইসলাম বলেন, আবদুল হান্নানের ছেলে তাঁর বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তাঁর শিক্ষার্থীর বাবার এমন সাফল্য তাঁকেও আনন্দ দিয়েছে। খুবই ভালো লাগছে যে এত বয়সেও তিনি পড়ালেখা করেছন।

বিনোদপুর কলেজের শিক্ষক সফিকুল ইসলাম বলেন, এ বয়সে এসে এসএসসি পাস করে আবদুল হান্নান এলাকায় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন। তাঁর মনোবলের প্রশংসা করতেই হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন