বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন চাটমোহরের মির্জাপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মণ্ডল (৩৪), হৃদয় হোসেন (১৯), সেলিম হোসেন (১৯), হুমায়ুন কবির (২০) ও রাকিবুল ইসলাম (১৯)।

পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বলেন, লাশটি উদ্ধারের পরই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আখতারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। পরে এই দলের সদস্যরা খুনের রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে চাটমোহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচ ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।

পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন চাটমোহরের মান্নানগর এলাকা থেকে ছিনতাইকারীরা যাত্রীবেশে ইমনের অটোরিকশায় ওঠেন। তাঁদের গন্তব্য ছিল চাটমোহর উপজেলা সদর। কিন্তু রাতে নির্জন রাস্তা পেয়ে তাঁরা ইমনকে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে লাশ বিলে ফেলে দেন। পরে ইমনের অটোরিকশাটি নিয়ে বিক্রির জন্য তাঁরা সিরাজগঞ্জে চলে যান।

পুলিশ সুপার বলেন, যাত্রীবেশে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা পুরোনো নয়। তবে ছিনতাইকারীর এই চক্র নতুন। ফলে তারা অনেক কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি। সড়কে এ ধরনের ছিনতাই বন্ধ করতে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ছিনতাই রোধে যাত্রী বহনের ক্ষেত্রে চালকদেরও সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ইমন হাসান উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের মাঝগ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। সে বেশ কিছুদিন ধরেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাচ্ছিল। ১৭ আগস্ট দুপুরে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দুই দিন পর চাটমোহর-মান্নাননগর সড়কের দরাপপুর ব্রিজের পাশ থেকে দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে নিহত ইমনের বাবা জাকির হোসেন মামলা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন