বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহাদেব বাচাড় পাঁচজনের রিমান্ড আবেদন ও তিনজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সত্যতা আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে প্রধান আসামি তফজ্জুল আলী, আবদুল খালেক, মো. জুয়েল, মদরিছ আলী ও মাইক্রোবাসের চালক আমির হোসেনের। বাকি ৩ আসামি রাসেল, মসুদ ও বাবর এ আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচজনের রিমান্ড আবেদন ও তিনজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সত্যতা আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।

কমলগঞ্জের চৈত্রঘাটে গত রোববার বেলা দেড়টার দিকে সন্ত্রাসীরা একটি মাইক্রোবাসে এসে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতা নাজমুল হাসানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমুলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত নাজমুল হাসানের বড় ভাই শামসুল হক বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হলে আসামিদের শনাক্ত করতে পুলিশ মাঠে নামে। এ পর্যন্ত পুলিশ কমলগঞ্জ, রাজনগর ও ঢাকা থেকে আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন