বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরাইল সরকারি কলেজ দিঘিতে আজ দিনভর বড়শি দিয়ে শৌখিন মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সরাইল কলেজ দিঘি মৎস্য চাষ সমিতি নামের একটি সংগঠন। এই মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রত্যেককে ২২ হাজার টাকার টিকিট কাটতে হয়। শুক্রবার ভোর ছয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৩১ জন শৌখিন মৎস্য শিকারি অংশ নেন। তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও ঢাকা, গাজীপুর, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে এসেছেন। ভোর পাঁচটায় লটারির মাধ্যমে শিকারিদের জন্য আসন নির্ধারণ করা হয়।

মজিদ সকালে এক কাতলা ধরেই বাজিমাত করেন। সারা দিনে কেউ আর তাঁকে অতিক্রম করতে পারেননি। প্রথম হয়ে পুরস্কার হিসেবে তিনি পান দুই লাখ টাকা।

আয়োজকেরা বলেন, আবদুল মজিদ ভোর পাঁচটায় ২২ হাজার টাকা দিয়ে একটি টিকিট কাটেন। লটারির মাধ্যমে তিনি ২৮ নম্বর আসন পান। সকাল ১০টায় তাঁর বড়শিতে ৫ কেজি ১২৫ গ্রাম ওজনের একটি কাতলা মাছ ধরা পড়ে। এরপরও অবশ্য বড়শি নিয়ে তিনি দিনভর অপেক্ষা করেন আরেকটি মাছ শিকার করতে। কিন্তু আর কোনো মাছ তিনি পাননি। তবে সারা দিনে কেউ আর তাঁকে অতিক্রম করতে পারেননি। মজিদ এক কাতলা শিকার করেই বাজিমাত করে প্রথম হয়ে যান। পুরস্কার হিসেবে পান দুই লাখ টাকা। একই দিঘিতে আবদুল মজিদ এর আগের আসরে ৪ কেজি ৬৯৫ গ্রাম ওজনের কাতলা মাছ শিকার করে সপ্তম হয়েছিলেন।

আজকের আয়োজনে প্রতিযোগীদের জন্য ছিল ৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকার ৭টি পুরস্কার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উর্ষিউড়া গ্রামের শিতোষ বিশ্বাস ৪ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের কাতলা শিকার করে দ্বিতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ টাকা। গাজীপুর জেলার মোশাররফ হোসেন ৪ কেজি ৪৭৫ গ্রাম কাতলা শিকার করে তৃতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা।

মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন সরাইল উপজেলা শৌখিন মৎস্য শিকার সমিতির সভাপতি রতন বক্স। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলার কালীকচ্ছ গ্রামের এই দিঘির মালিক সরাইল সরকারি কলেজ। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দিঘিটি তিন বছরের জন্য ১০ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন উপজেলা সদরের বড্ডাপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান। তিনি প্রতিবছর এ দিঘিতে কয়েকবার মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকেন। আগামী শুক্রবার একই রকম আসর বসবে উপজেলা সদরের বড় দেওয়াপাড়ার দেওয়ান দিঘিতে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন