বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাতক থানা সূত্রে জানা গেছে, ইসলাম উদ্দিন স্থানীয় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গত শনিবার দুপুরে তাঁর বাড়িতে বেড়াতে আসেন প্রতিবেশী সেলিম মিয়া (৩০)। এ সময় সেলিমের সঙ্গে লায়েক মিয়া (৩৫) নামের আরও একজন ছিলেন। লায়েকের বাড়ি জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চাতলপাড় গ্রামে। বেলা তিনটার দিকে সেলিম ও লায়েক ইয়াছিনকে চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে ঘর থেকে নিয়ে বের হন। এর পর থেকে নিখোঁজ ইয়াছিন। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযানে নামে।

অপহরণকারীরা ইয়াছিনকে প্রথমে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে নিয়ে যান। পরে পাশের তাহিরপুর উপজেলায় গিয়ে সেখানে অজ্ঞাত স্থানে এক দিন থাকার পর চলে যান ঢাকায়। পুলিশও তাঁদের পিছু নেয়।

পুলিশ জানায়, অপহরণকারীরা ইয়াছিনকে প্রথমে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে নিয়ে যান। পরে পাশের তাহিরপুর উপজেলায় গিয়ে সেখানে অজ্ঞাত স্থানে এক দিন থাকার পর চলে যান ঢাকায়। পুলিশও তাঁদের পিছু নেয়। এর ফাঁকে অপহরণকারীরা বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে ইসলাম উদ্দিনের কাছে টাকা দাবি করছিল। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াছিনকে উদ্ধার করে। এ সময় ইয়াছিনের সঙ্গে থাকা কাকলি বেগমকে আটক করা হয়। কাকলি বেগম লায়েক মিয়ার বোন। মঙ্গলবার পুলিশ ইসলাম উদ্দিনের প্রতিবেশী সেলিম মিয়াকে আটক করে।

ছাতক থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, ইয়াছিন মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানোর পরই শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ। ৬০ ঘণ্টার টানা অভিযানে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী কাকলি বেগমের বড় ভাই লায়েক মিয়া। তাঁকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন