আংশিক এ কমিটিতে ১৮ জনকে সহসভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন রাসেল আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, মুশফিকুর রহমান, আবু তালেব, মো. মুক্তার শেখ, খাইরুল আলম, শাওন সরকার, মেহেদী হাসান, মো. মিনজারুল ইসলাম, ওবায়দুল্লাহ আল মাহামুদ, মো. হাসান, মো. আকিল আমিন, শাহরিয়ার শিমুল, রবিউল ইসলাম, মো. নাঈম ইসলাম, আল আমিন, জয় সরকার ও মো. পলাশ হাসেন।

কমিটিতে মো. সাকিবুল ইসলামকে সভাপতি এবং জাকির হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

এ কমিটিতে পাঁচজনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন হাসিবুল হাসান, মমিনুল ইসলাম, সামিউল ইসলাম, মো. মাশরুর হাসান ও এস এম আল মুহিত। পাঁচজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদকের। তাঁরা হলেন মো. সোহাগ আলী, মো. আফজালুর রহমান, মুহাইমিনুল ইসলাম, ফারজানা মুস্তারী ও মো. আশিক জাভেদ।

রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, নতুন ঘোষিত কমিটির অনেকেই বিতর্কিত। অন্য রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শেরও রয়েছেন। সম্মেলন ছাড়া ঢাকায় বসে কমিটি করলে এমনই হবে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কল করা হলে তাঁরা ধরেননি।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে হাবিবুর রহমানকে সভাপতি এবং মেরাজুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ওই কমিটিতে ছিলেন ১৩১ জন। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় গত বছরের ১৬ জুলাই রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের ওই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্র। পরে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত চাওয়া হয়। জীবনবৃত্তান্ত নেওয়ার ছয় মাস পর সম্মেলন ছাড়াই আংশিক জেলা কমিটি করা হলো।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন