বিজ্ঞাপন

আহত নৃপেন্দ্র চন্দ্র ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের মমরুজপুর গ্রামের জীতেন সূত্র ধরের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন  গ্রামের আবদুল হেকিমের ছেলে মো. বাদল মিয়া, মফিজ উদ্দিনের ছেলে নয়ন মিয়া, আবদুল মজিদের ছেলে শহীদ মিয়াসহ চার তরুণ আজ বুধবার সকাল নয়টার দিকে তাঁকে রাস্তায় আটকিয়ে বেদম মারধর করে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যান বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

আমার স্বামী অসুস্থ। মারধরকারী তরুণেরা চরম উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির হওয়ায় আশপাশের কেউ ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে যেতে সাহস পাননি। পরে ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ এসে নৃপেন্দ্রকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
চারু বালা সূত্রধর, নৃপেন্দ্রর মা

নৃপেন্দ্রর মা চারু বালা সূত্রধর (৫০) প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর স্বামী অসুস্থ। মারধরকারী তরুণেরা চরম উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির হওয়ায় আশপাশের কেউ ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে যেতে সাহস পাননি। পরে ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ এসে নৃপেন্দ্রকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এর আগেও তাঁর ছেলের ওপর একাধিকবার হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। এত দিন ছেলে তাই চলাফেরায় সাবধান থাকতেন বলে জানান তিনি।

দুপুরে মমরুজপুর গ্রামে গিয়ে খোঁজ করে অভিযুক্ত তরুণদের পাওয়া যায়নি। গ্রামের কোনো বাসিন্দা তাঁদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেশী কয়েকজন নারী বলেন, মমরুজপুর গ্রামে আমরা কয়েকটি হিন্দু পরিবার বসবাস করি। গ্রামের বেশির ভাগ মুসলমান পরিবার আমাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করেন। কিন্তু হাতে গোনা কয়েকটি পরিবারের উচ্ছৃঙ্খল তরুণেরা আমাদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করে। ওরা নারীদের সঙ্গে বখাটেপনা করে। ঘরের চালে ঢিল ছোড়ে। ছোটদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বড়রা বাড়িতে এসে মারধর করে যায়। ছোটদের ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনা থেকে নৃপেন্দ্রকে মারধর করেছে ওই উচ্ছৃঙ্খল তরুণেরা।

এ বিষয়ে চাইলে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল কাদের মিয়া বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা থেকে ফোন পেয়ে আহত অবস্থায় নৃপেন্দ্র নামে এক তরুণকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তরুণের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন