বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, সমিতির আইনজীবী অজিত কুমার বিশ্বাস শহরের বড়গাছা পালপাড়া মহল্লায় নিজ বাড়িতে ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন। তাঁর বাড়ির পেছনে সুমনা সরকার ও সাগরিকা সরকার নামের দুই চিকিৎসক নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তাঁরা আইনজীবীর বাড়ির পূর্ব পাশের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা করতে চাইলে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

আইনজীবী অজিত কুমার সরকার ওই জমির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সদর সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। শুনানি শেষে আদালত ওই জমিতে স্থিতাবস্থা জারি করেন। আদালতের এই আদেশ অমান্য করে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অন্তত ৪০ জন আইনজীবীর বাসায় হামলা করেন। তাঁরা আইনজীবীর বাড়ির সীমানাপ্রাচীরের কিছু অংশ ভেঙে ফেলেন।

তাঁরা আইনজীবীর বাড়ির ভেতরে ঢুকে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করেন এবং বাড়ি থেকে বের হতে দেন না। নিরুপায় হয়ে তিনি পুলিশের ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। ফোন পেয়ে সন্ধ্যা সাতটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তবে এর আগেই তাঁরা সেখান থেকে সটকে পড়েন।

শনিবার সকালে আইনজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আমীন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হকসহ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেন।

অজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, চিকিৎসক সুমনা সরকার ও সাগরিকা সরকারের সঙ্গে সীমানা বিরোধ ছাড়া তাঁর আর কারও সঙ্গে বিরোধ নেই। তিনি মনে করেন, হামলাকারীদের ওই চিকিৎসকেরা ভাড়া করে পাঠিয়েছিলেন। আদালতের প্রতি সম্মান না করে তাঁরা মাস্তান দিয়ে সবকিছু সমাধান করতে চাইছেন। তিনি আরও বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে ফোন করে নিরাপত্তা না চাইলে ওই মাস্তানরা আমাকে খুন করে ফেলত।’ সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক সুমনা সরকার বলেন, ‘আমাদের সাথে সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও আমরা ওই আইনজীবীর বাড়িতে মাস্তান পাঠাইনি। এটা অপপ্রচার মাত্র।’

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনসুর রহমান জানান, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ আইনজীবী অজিত কুমার সরকারের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নিরাপত্তা দিয়েছে। লিখিত এজাহার পেলে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন