বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্ধার দুই ব্যক্তি হলেন ভোলার লালমোহন উপজেলার ইলিশাকান্দি গ্রামের মো. সামছুদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন ফরাজী (২৭) ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর গিদারী গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে হিমু মিয়া (২৪)। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল উপজেলার চর ফকিরা ইউনিয়নের কদমতলা এলাকা থেকে তাঁদের উদ্ধার করে। পরে তাঁদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

গিয়াস উদ্দিন পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে রাজমিস্ত্রির কাজ দেওয়ার কথা বলে ভোলার জাকির ও গাইবান্ধার হিমু মিয়াকে কোম্পানীগঞ্জে ডেকে আনেন। পরে তাঁদের আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চর ফকিরা এলাকার গিয়াস উদ্দিন পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে রাজমিস্ত্রির কাজ দেওয়ার কথা বলে ভোলার জাকির হোসেন ও গাইবান্ধার হিমু মিয়াকে কোম্পানীগঞ্জে ডেকে আনেন। কোম্পানীগঞ্জে আসার পর তাঁদের আটকে রেখে নির্যাতন এবং বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করেন গিয়াস উদ্দিন। উভয়ের পরিবারের লোকজন বিষয়টি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান। সেখান থেকে বিষয়টি জেনে কোম্পানীগঞ্জ থানা-পুলিশ উদ্ধার তৎপরতা চালায়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদ রোমেন প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার রাতে ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক থানা-পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে আটকে রাখা ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে রাত ১১টার দিকে চর ফকিরা ইউনিয়নের কদমতলা এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে তাঁদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এ সময় তাঁদের রেখে মুক্তিপণ দাবি করা গিয়াস উদ্দিন কৌশলে পালিয়ে যান।

ওসি বলেন, এ ঘটনায় আজ শনিবার অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলা করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন