বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেয় এক স্কুলছাত্রী। তার অভিযোগ পেয়ে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরিবারের ভাষ্যের বরাত দিয়ে ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, শুরুতে জাহাঙ্গীর স্কুলছাত্রীকে বিরক্ত করতেন। তার সঙ্গে কথা বলতে চাইতেন। কিন্তু জাহাঙ্গীরকে এড়িয়ে চলত স্কুলছাত্রী। একদিন কেউ না থাকার সুযোগে স্কুলছাত্রীর বাসায় চলে আসেন জাহাঙ্গীর। তিনি স্কুলছাত্রীকে এডিট করা কিছু নগ্ন ছবি দেখান। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেন জাহাঙ্গীর।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, ধর্ষণের শিকার হয়ে ভয়ে ঘটনা কাউকে বলেনি স্কুলছাত্রী। কিছুদিন পর স্কুলছাত্রীর বাসার দরজায় আবার হাজির হন জাহাঙ্গীর। তাঁকে দরজায় দেখেই তাঁর চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে আত্মরক্ষা করে স্কুলছাত্রী। জাহাঙ্গীর পরে আরও একবার বাসার দরজায় এলে স্কুলছাত্রী একই কায়দায় আত্মরক্ষা করে। সবশেষ গতকাল স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে তার বাসার সামনে হাজির হন জাহাঙ্গীর। এ অবস্থায় স্কুলছাত্রী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানায়। অভিযোগ পেয়ে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

ওসি মোহাম্মদ মহসীন প্রথম আলোকে বলেন, এ মামলায় গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীরকে আজ মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন