বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খুন করে লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করার সময় রাসেল মৃধার বয়স ছিল ১৪ বছর। ৯ বছর পর তাঁর বয়স এখন ২৩। তিনি জানান, গৌরনদী থেকে পালিয়ে তিনি ঢাকায় চলে যান। যাত্রাবাড়ীতে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ছিলেন।

জীবিত থেকেও পালিয়ে ছিলেন কেন, জানতে চাইলে রাসেল মৃধা বলেন, ‘মা আমাকে মামলার কথা জানিয়ে পালিয়ে থাকতে বলেন। বিয়ে করে স্ত্রী–সন্তানদের নিয়ে তাই আত্মগোপনে ছিলাম।’

ছেলেকে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগ করে মামলা করেছিলেন রাসেল মৃধার মা। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সরিকল পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফোরকান হোসেন। ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, গৌরনদী উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামের মো. জালাল মৃধার স্ত্রী ফাহিমা বেগম ২০১২ সালের মে মাসে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ১৪ বছরের ছেলে রাসেল মৃধাকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে। মামলায় তিনি একই গ্রামের প্রতিবেশী এস রহমান মৃধা (৫৫), তাঁর ছেলে আরমান মৃধা (২৬), রায়হান (২৩), স্থানীয় শাহীন মল্লিক (৩০), হক ভূঁইয়া (৭০), তাঁর ছেলে মবিন ভূঁইয়াসহ (২৮) ১৩ জনকে আসামি করেন। ২০১৩ সালের শেষের দিকে এজাহারভুক্ত ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলার তদন্তকালে ১২ জনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তার ভিত্তিতেই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

গৌরনদী থানা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গতকাল ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে রাসেল মৃধাকে উদ্ধার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার তাঁকে গৌরনদী থানায় আনা হয়। পরে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, রাসেল মৃধার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন