বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর জয়পুরহাট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমানকে সভাপতি ও জাকির হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। এরপর তাঁদের জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। করোনা মহামারির কারণে কমিটি গঠনে বিলম্ব হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গত মাসে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে জমা দেন। ওই কমিটিতে পদপ্রত্যাশী অনেক নেতা-কর্মীকে স্থান দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে পদপ্রত্যাশী নেতা-কর্মীদের চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে তাঁরা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারস্থ হন। এরপর সংগঠনের জেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া তালিকা কাটছাঁট করে পদপ্রত্যাশীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শনিবার জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন।

জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান আজ রোববার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করায় দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান, হাছান মাহমুদ, রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। জেলা কমিটি ভালো হওয়ায় আমি নিজে ও দলীয় নেতা-কর্মীরা খুবই আনন্দিত।’

জেলা কমিটির উপদেষ্টা পদে ১৯ জনকে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন আব্বাস আলী মণ্ডল, আফতাব উদ্দিন মণ্ডল, খাজা সামছুল আলম, কায়কোবাদ সরদার, আবদুস সালাম আকন্দ, তোজাম্মেল হোসেন, লুৎফে আকবর রাজা চৌধুরী, গোকুল চন্দ্র মণ্ডল, মোনায়েম হোসেন, আবদুল কাদের ব্যাপারী, বদরউদ্দিন সেলিম, মোজাহার আলী প্রামাণিক, গোলাম মোস্তফা, এনামুল হক, সিরাজুল ইসলাম, রতন কুমার খাঁ, মো. নজরুল ইসলাম খাঁ, আবু শামীম মো. শামীমুল ইসলাম ও আবদুল কাদের।
সহসভাপতি পদে ১১ জনের নাম রয়েছে। তাঁরা হলেন মোল্লা সামছুল আলম, এস এম সোলায়মান আলী, মোমিন আহম্মেদ চৌধুরী, নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল, গোলাম হাক্কানী, লুৎফে আকবর চৌধুরী, সানোয়ার হোসেন, আবদুল বারিক, মোহসীন আলী জাহিদুল আলম ও মোকছেদ আলী মাস্টার।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তিনজনকে। তাঁরা হলেন মীর রেজাউল করিম, গোলাম মাহফুজ চৌধুরী ও মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

এ ছাড়া মোকাররম হোসেনকে আইনবিষয়ক সম্পাদক, তৌহিদুল ইসলামকে কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক, মোস্তাক কবিরকে তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক, মাহমুদ হাসানকে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, মিজানুর রহমানকে দপ্তর সম্পাদক, মো. খাইরুল ইসলামকে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক, এ ই এম মাসুদ রেজাকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জাহাঙ্গীর হোসেন মণ্ডলকে বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক, মাহমুদুল হককে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক, মাহফুজা সুলতানাকে মহিলাবিষয়ক সম্পাদক, জাকারিয়া হোসেনকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক, এম এ হাইকে যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক, এ টি এম আলমগীর কবিরকে শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক, শহীদ ইকবালকে শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক, আবদুস সোবহানকে শ্রমবিষয়ক সম্পাদক, মোশারফ হোসেনকে সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক, মোজাম্মেল হোসেনকে স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক এবং মনিরুল শহীদ, সুমন কুমার সাহা, হাবিব তালুকদারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

গোলাম মাহফুজ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রথমে যে তালিকা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে আমাকে রাখা হয়নি। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে আমাকে কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়েছে। দলের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দলের সাধারণ সম্পাদকসহ দলের প্রত্যেক নেতার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন