'বাঁচি কি মরি জানি না, ভোট দিতে আসলাম'

বিজ্ঞাপন
default-image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মহাখালীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের টিঅ্যান্ডটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ খুব ধীরে চলছে। ভোটারের উপস্থিতিও কম। আজ শনিবার সকাল পৌনে আটটা থেকে থেকে ৯টা পর্যন্ত সরেজমিনে এ চিত্র দেখা যায়।

এ কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ বুথ আলাদা। পুরুষ ভোটার ২৪২৮, নারী ভোটার ২১৫৩। পুরুষদের বুথ ৬টা, নারীদের ৫টা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরুষদের লাইনে কিছু লোকজন রয়েছে। প্রতিটি বুথের সামনে ৫-৬ জন করে লাইনে দাঁড়ানো। নারী বুথ প্রায় ফাঁকা।

পুরুষকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোজ্জামেল হক বলেন, পোলিং এজেন্ট যাঁরা এসেছেন, তাঁদের কার্ড দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

২০৩ নম্বর কক্ষের ভোটার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সাড়ে আটটার দিকে তাঁর সামনে ৪ জন ছিলেন। কিন্তু ভোটের লাইন ধীরে এগোচ্ছে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে তাঁকে।

ওই কেন্দ্রে ধানের শীষের এক পোলিং এজেন্টকে কার্ড নিতে আসতে দেখা যায়। আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ব্যাজ পরে থাকলেও তার কোনো ব্যাজ ছিল না। ওই পোলিং এজেন্ট বলেন, তিনি এখনো কার্ড পাননি। ভীতিকর অবস্থায় থাকার ব্যাজ পরেননি।

নারী কেন্দ্রে সকাল ৯টার দিকে বয়স্ক নারী শামসুর নাহার প্রথম ভোট দেন। আতিকুল ইসলামের ব্যাজধারী লোকজন তাঁকে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ‘ওয়্যারলেস গেটে আমার বাসা। বাঁচি কি মরি জানি না, ভোট দিতে আসলাম।’

নারী কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আল হেলাল শাহীনুর রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে কার্ড দিয়েছি। কাউন্সিলর প্রার্থীর এজেন্টরাও কার্ড নিয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর কেউ কার্ড নেয়নি।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন