default-image

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশকেন্দ্রে আছে শতবর্ষী একটি বটগাছ। এই বটগাছে চাক বেঁধেছে মৌমাছির দল। তবে একটি বা দুটি নয়, এক বটগাছেই মৌমাছিরা বেঁধেছে ৭০টি চাক। একসঙ্গে এতগুলো মৌচাক দেখার জন্য এখন প্রায় প্রতিদিন গজনী অবকাশকেন্দ্রে ভিড় করছে উৎসুক মানুষ ও ভ্রমণপিপাসুরা।

গজনী অবকাশকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বটগাছটির গোড়া থেকে শুরু করে মগডাল পর্যন্ত চাক বেঁধে বাস করছে মৌমাছির দল। মৌমাছির গুনগুন শব্দ পুরো এলাকায়। গজনীতে বেড়াতে আসা শেরপুর সদর উপজেলার গাজীরখামার গ্রামের কলেজছাত্র আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি গাছে মৌমাছির এতগুলো চাক হতে পারে, তা ধারণার বাইরে ছিল। এসব চাক দেখে খুব ভালো লাগছে।

বিজ্ঞাপন

ঝিনাইগাতীর মৌচাষি আবদুল হালিম বলেন, অবকাশকেন্দ্রের বটগাছে চাক করা মৌমাছিগুলো ডাচ্‌ জাতের বন মৌমাছি। এরা সংঘবদ্ধভাবে এক জায়গায় থাকতে ভালোবাসে। এ ছাড়া গারো পাহাড়সংলগ্ন বনে এখন প্রচুর ফুল রয়েছে। এসব ফুল থেকে মধু আহরণের সহজ উৎস হওয়ায় মৌমাছিগুলো বটগাছটিতে বাসা বেঁধেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৌমাছিরা যাতে নির্বিঘ্নে গাছটিতে বাস করতে পারে, সে জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

default-image

ঝিনাইগাতীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গজনী অবকাশকেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সদস্য রুবেল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, একটি গাছে সাধারণত এতগুলো মৌচাক দেখা যায় না। এসব মৌচাক ভ্রমণপিপাসুদের কাছে গজনী অবকাশকেন্দ্রের আকর্ষণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই এসব মৌচাক থেকে কেউ যেন মধু আহরণ ও মৌমাছিদের বিরক্ত না করে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন