বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই চার জলাশয়ে কারখানার বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক বর্জ্য নিঃসরণ বন্ধে ও জলাশয়গুলো রক্ষার নির্দেশনা চেয়ে বেলা ২০১১ সালে রিটটি করে। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৭ এপ্রিল হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।
রুলে কারখানার বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক বর্জ্য থেকে চার জলাশয় সুরক্ষায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে জলাশয়ে স্বাভাবিক গতিপথে প্রতিবন্ধকতা রোধে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে তা যথাযথ ঘোষণা করে আজ রায় দেওয়া হয়। বিষয়টি চলমান তদারকিতে থাকবে বলেছেন আদালত। আদালত বলেছেন, পরিবেশ অধিদপ্তর যে যুক্তি দিয়েছে, তা বিবেচনায় নেওয়ার যৌক্তিকতা দেখা যাচ্ছে না।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও সাঈদ আহমেদ কবীর। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওয়ায়েস আল হারুনী।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন