বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ডি-৮–ভুক্ত দেশগুলোর কৃষি খাত ২৬ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান করে থাকে আর জিডিপিতে অবদান প্রায় ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা যেমন আইডিবি, এফএও, ইরি, ইফাদ প্রভৃতি থেকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিচালিত হবে। খুব শিগগির এ প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষি উৎপাদনব্যবস্থা। ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তাব্যবস্থা টেকসই রাখতে হলে জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল ফসলের জাত ও প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং সম্প্রসারণ বাড়াতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ডি-৮ দেশগুলোতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তির উন্নয়ন খুবই জরুরি। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মধ্যে খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে কৃষিপ্রযুক্তির উন্নয়ন। ডি-৮–ভুক্ত দেশগুলোর কৃষি খাত ২৬ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান করে থাকে। আর জিডিপিতে অবদান প্রায় ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। এ ছাড়া এ জোটের দেশগুলোতে ৬০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। তাঁরা মূলত কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

সভায় ডি-৮–এর মহাসচিব ইসিয়াকা আবদুল কাদির ইমাম, ইন্দোনেশিয়ার কৃষিমন্ত্রী সাইয়ারুল ইয়াসিন, ইরানের কৃষিমন্ত্রী সৈয়দ জেএস নেজাদ, মালয়েশিয়ার কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী রোনাল্ড কিয়ান্দি, পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ ফখর ইমাম, তুরস্কের পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আকিফ ওজকাল্ডি, নাইজেরিয়ার কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ফেডারেল মন্ত্রী মো. মাহমুদ আবুবকর ও মিসরের এআরসির শিরীন আসেম কৃষিক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা, সম্ভাবনা, করণীয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার ছাড়াও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইএফএডি, ইরি ও সিমিটের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন