বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছোট হচ্ছে নদী

চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন নামে একটি সংগঠন গত বছর কর্ণফুলীর বিভিন্ন স্থানে জরিপকাজ চালায়। তাতে দেখা যায়, শাহ আমানত সেতু এলাকায় জোয়ারের সময় প্রস্থ ৫১০ মিটার। ২০১৪ সালে এডিবির পরিমাপ অনুযায়ী, সেতু এলাকায় নদীর প্রস্থ ছিল ৮৮৬ মিটার। চাক্তাই খালের মুখে প্রস্থ ছিল ৮৯৮ মিটার, পরে কমে হয়েছে ৪৩৬ মিটার। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান বলেন, দখল ও দূষণের কারণে নদী ছোট হয়ে আসছে। দখল-উচ্ছেদের জন্য নদী কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক ইদ্রিস আলীর কর্ণফুলীর ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন নর্থ আমেরিকান রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী দখল ও দূষণে জড়িত। দখলের কারণে দিন দিন নদীর প্রশস্ততা কমেছে। এ ছাড়া অপরিকল্পিত খননও রয়েছে। আর জনগণের সচেতনতার অভাবে পলিথিনের স্তর পড়েছে কর্ণফুলীর তলদেশে।

অভিযোগ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম উচ্ছেদ শুরু হয়। সদরঘাট ও মাঝিরঘাটে ২০ একর জমি উদ্ধার করা হয়। এরপর ২০২০ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ লালদিয়ার চর এলাকায় উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করে। তাদের উচ্ছেদ কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে কর্ণফুলী নদীর তৃতীয় সেতুর আশপাশে জেগে ওঠা চর দখল করে গড়ে ওঠা বস্তিতে বুলডোজার পড়েনি এখনো।

দখলের ব্যাপারে বস্তিবাসীদের অভিযোগ সরকারি দলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন