প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, আবহাওয়াবিদ এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া অফিস ধারণা করছে, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী বৃহস্পতিবার সকালে বিশাখাপট্টনম, ভুবনেশ্বর, পশ্চিমবঙ্গ স্পর্শ করে দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ‘অশনি’র প্রভাবে বাংলাদেশে ঝড়-বৃষ্টি হবে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হবে না বলেই মনে হয়।

এনামুর রহমান আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় যেকোনো সময় যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে। এখন এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে ধাবিত হচ্ছে। এটি যদি মোড় নিয়ে উত্তর দিকে ধাবিত হয়, তাহলে আমাদের দেশের সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে আঘাত হানতে পারে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে সভা করেছি, তাঁদের সচেতন করে দেওয়া হয়েছে। মাঠে আছে সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকেরা।

তাঁরা ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা প্রচার করছেন। আমরা আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করার নির্দেশনা দিয়েছি। সেগুলোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ। সেখানে রান্না করা খাবার দেওয়ার জন্য চাল ও অর্থ দিয়েছি। মাঠপর্যায়ে মোটামুটি প্রস্তুতি আছে। করোনার কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।’

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন