সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী, পানিদূষণবিষয়ক সব আইন আওয়ামী লীগ সরকারে আমলে পাস হয়েছে। নদীর দখল দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য অন্য কোনো সরকার পদক্ষেপ নেয়নি। পুরোনো মতবাদ ছিল, ‘যা নষ্ট তা পানিতে ফেলে দাও’—এ ধারণা থেকে ফিরে আসতে হবে। নদী-নালা দখলরোধে জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে নদী রক্ষা কমিটিকে আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। নদী–নালা, খাল–বিল রক্ষা করে দেশকে রক্ষা করতে হবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল বলেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালীন নদী রক্ষা কমিশনের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। মাঠপর্যায়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি হলো স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিরা। তাঁরা নদীর দূষণ ও দখল রোধ করে নদীর পরিবেশ রক্ষা করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারেন। এ বিষয়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পরামর্শ ও সক্রিয় উপস্থিতি আশা করব। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর এক দিনও সময় নষ্ট করতে চাই না। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন তথ্য চাইলে সে তথ্য কেন দেওয়া হয় না, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কবির বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। সভায় সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন