বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিম্নচাপটির কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৪০ কিলোমিটার, যা ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক গত রাতে বলেন, নিম্নচাপটি রোববার রাতের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশ, মিয়ানমার না ভারতের উপকূলের দিকে যাবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি দেশটির অন্ধ্র ও উড়িষ্যা উপকূলের দিকে এগোচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা নাসা ও জয়েন টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ভারতের অন্ধ্র ও উড়িষ্যা উপকূলে আঘাত করলে তা খুবই দুর্বল হয়ে যাবে। কারণ, ভারতের ওই দুই উপকূলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এখন সবচেয়ে কম। সমুদ্রের যে অংশ দিয়ে ঘূর্ণিঝড় যায় সেখানকার তাপমাত্রা কম থাকলে ঝড়ের গতি কমে যায়। তাপমাত্রা বেশি থাকলে ঝড় শক্তি অর্জন করে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘূর্ণিঝড় গবেষক মোস্তফা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে যদি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূলের দিকে আসে, তাহলে তা মাঝারি মাত্রার ঝড়ে পরিণত হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সেটি কোথায় গিয়ে আঘাত করবে তা আরও দুদিন পর বলা যাবে।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন