বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: উপজেলা পরিষদের সামনের একটি ফলজ বাগান এভাবে সাবাড় করার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

রফিকুল আলম: প্রথম ও শেষ কথা হচ্ছে, এটা মোটেই ঠিক কাজ হয়নি। এটা আত্মঘাতী কাজ হয়েছে। যেখানে আমরা বৃক্ষরোপণের জন্য উৎসাহিত করছি, সেখানে তা কেটে সাবাড় করার বিষয়টি অযৌক্তিক, বিবেচনাহীন কাজ।

প্রথম আলো: এমন উদ্যোগ কেন আত্মঘাতী?

রফিকুল আলম: সমগ্র বিশ্ব এখন উষ্ণতা নিয়ে চিন্তিত। বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা কমানো নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশ্বব্যাপী এমন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে জলবায়ু সম্মেলন বা কপ-২৬ সম্মেলন চলছে। এমন সময় এ ধরনের উদ্যোগ আত্মঘাতী। কারণ, এটা রোধে যেসব করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে, তার একটি অন্যতম বিষয় হচ্ছে বৃক্ষনিধন বন্ধ করতে হবে। বনভূমি বাড়াতে হবে।

প্রথম আলো: কর্তৃপক্ষ বলছে, উন্নয়নের স্বার্থে এটা করা হয়েছে...

রফিকুল আলম: আমাদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন হচ্ছে এবং এটা না করে উপায় নেই। কিন্তু যেভাবে আমরা ঢালাওভাবে বনভূমি, জলাধার কিংবা পরিবেশের উপযোগী অবকাঠামো উজাড় করেছি, বিশ্ব এখন সেটারই ফল ভোগ করছে। এখন আর উদাসীনতার সুযোগ নেই। উন্নয়ন ভাবনায় প্রকৃতি-পরিবেশকে সুরক্ষা দিতে হবে। এখন উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে প্রকৃতি রক্ষা করতে হবে। পরিবেশঘাতী উন্নয়ন কখনো উন্নয়ন হতে পারে না।

প্রথম আলো: এ ক্ষেত্রে করণীয় কী?

রফিকুল আলম: এ ক্ষেত্রে করণীয় হচ্ছে আমাদের সব উন্নয়ন–পরিকল্পনায় পরিবেশকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণের সময় আমাদের তা অবশ্যই পরিকল্পিতভাবে করতে হবে। এর বিকল্প নেই।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন