বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মেঘ আর কুয়াশা মিলেমিশে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার দু-একটি জায়গায় হালকা ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

গতকাল পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। আজ দেশের উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ স্থানে শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি তাপমাত্রা থাকতে পারে।

এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, দেশের দক্ষিণের ভারত ও মিয়ানমার থেকে মূলত মেঘমালা ভেসে আসছে। সেটি আজ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ার কারণে সারা দেশে কমবেশি তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আগামী দু–এক দিন কুয়াশা ও মেঘের কারণে শীতের অনুভূতি থাকলেও শৈত্যপ্রবাহের তাপমাত্রা না–ও থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আজ বুধবার দেশের অনেক এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। আগামী কয়েক দিন কুয়াশার পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বাড়তে পারে। আকাশ থেকে মেঘ সরতেও কিছুটা সময় লাগবে। ফলে দিনের বেলা হালকা শীত থাকতে পারে।

এদিকে আকাশে মেঘ আর কুয়াশা বাড়তে শুরু করায় রাজধানীর বাতাসে দূষিত ক্ষুদ্র বস্তুকণা আগের চেয়ে বেশি পরিমাণে ভেসে বেড়াচ্ছে। বিশ্বের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এয়ার ভিজ্যুয়ালের হিসাবে গতকাল দিন ও রাতের বেশির ভাগ সময় ঢাকার বাতাসের বায়ু মানের সূচক ছিল ২০০–এর বেশি, যা মানুষের জন্য মারাত্মক অস্বাস্থ্যকর। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ বায়ু ছিল গুলশান, বারিধারা ও মিরপুর এলাকায়। এ ধরনের বাতাস যাতে শরীরে না প্রবেশ করতে পারে, সে জন্য মাস্ক বা মুখোশ পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এয়ার ভিজ্যুয়ালের হিসাবে গতকাল বেশির ভাগ সময় বায়ু দূষণে শীর্ষস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি, সেখানকার বায়ুর মান বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। এরপর ছিল পাকিস্তানের লাহোর ও কুয়েত সিটি। মূলত মরুভূমি থেকে আসা ধুলা ভেসে আসায় সেখানকার বায়ু মানের অবনতি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গতকাল দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন