বিজ্ঞাপন

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর-বিএমডি থেকে এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পূর্বাভাস দিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর থেকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম বলা হচ্ছে যশ। বিশ্ব আবহাওয়া অধিদপ্তর (ডব্লিউএমও) থেকে মে মাসের শেষে বঙ্গোপসাগরে যদি কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তাহলে তার আগাম নাম হিসেবে যশ রাখা হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার থেকে এরই মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। রাজ্যটির নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকও করেছেন।

ভারত, রাশিয়া ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আবহাওয়াবিষয়ক সংস্থার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপটির দ্রুত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। বেশির ভাগ সংস্থার ভূ-উপগ্রহের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী লঘুচাপটি বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার দিকে আসার সম্ভাবনা বেশি।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই–তিন দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী দু–এক দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারব।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আসার আগের কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় কালবৈশাখী ও দাবদাহ বয়ে যাবে। চাঁদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর জেলা এবং খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে কাল শুক্রবার দাবদাহটি বয়ে যেতে পারে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক এলাকা দিয়ে কালবৈশাখীসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খুলনায় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিলেটে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীতে সামান্য বৃষ্টি এবং তাপমাত্রা প্রায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন