বাংলাদেশের উপকূল থেকে ঘূর্ণিঝড়টির দূরত্ব বাড়ছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল ‘অশনি’।

আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন আজ প্রথম আলোকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ১১৯, টাঙ্গাইলে ৫৭, ঢাকায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আজও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হবে। এটি চলবে আগামী দুদিন।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

এতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁদের গভীর সাগরে যেতে না করা হয়েছে।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন