default-image

করোনাকালে চিড়িয়াখানা টানা সাত মাস বন্ধ ছিল। সীমিত পরিসরে খোলা হয়েছে সম্প্রতি। এই সময়েই এল নতুন অতিথি। গত রোববার বিকেলে এক হরিণশাবকের জন্ম হয়।

সিলেট নগরের টিলাগড় এলাকায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের এই চিড়িয়াখানায় ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর প্রাণী রাখা শুরু হয়। ওই বছরের ২ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম চিড়িয়াখানা হিসেবে যাত্রা শুরু হয়।

বন বিভাগ জানায়, প্রথমে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক থেকে দুটি জেব্রা, তিনটি চিত্রা হরিণ, ১২টি ময়ূরসহ নানা রকম পাখি চিড়িয়াখানায় রাখা হয়। বর্তমানে পালে আছে ১০টি হরিণ। সিলেটের ইকোপার্কের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের চিড়িয়াখানায় চিত্রা হরিণের মাধ্যমে প্রথম বাচ্চাপ্রসবের ঘটনা ঘটেছিল গত ১৭ জানুয়ারি। ১০ মাসের মাথায় দ্বিতীয় বাচ্চার জন্ম হলো গতকাল বিকেলে।

বিজ্ঞাপন

চিড়িয়াখানার দায়িত্বে থাকা বন বিভাগের রেঞ্জার মো. হাসমত আলী বলেন, চিত্রা হরিণের খাঁচায় বাচ্চাপ্রসব হয়। এরপর প্রাথমিক পরিচর্যায় বাচ্চাটি সুস্থ বলে জানিয়েছেন প্রাণী চিকিৎকেরা। গতকাল সকালে ও দুপুরে আরও দুই দফা চিকিৎসকেরা বাচ্চাটি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে দেখেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, বাচ্চাটির কোনো সমস্যা নেই। হরিণের পালেই আছে বাচ্চাটি।

চিড়িয়াখানার দায়িত্বে থাকা বনকর্মীরা জানান, হরিণের জন্য সংরক্ষিত স্থানগুলোর দিকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বাচ্চা হরিণ যাতে ছোটাছুটি করে সংরক্ষিত এলাকার বাইরে গিয়ে কোনো বিপদে না পড়ে, এ জন্য সীমানাপ্রাচীরও সংস্কার করা হচ্ছে।

মন্তব্য পড়ুন 0