বুনো ফুলটি এখন পঞ্চগড় জেলায় গ্রামের পথগুলোর দুই পাশে, ঝোপঝাড়ে ও পতিত জমিতে চমৎকারভাবে ফুটে আছে। রাতের আঁধারেও ফুলটির মধুগন্ধ ভেসে বেড়ায় চারপাশে।

পঞ্চগড়ের কলেজছাত্রী তাসনুহা বলেন, ‘সড়কের পাশে যখন ফুলগুলো দেখি, তখন মনে হয়, কেউ যেন আস্ত একটি ফুলের তোড়া তৈরি করে রেখেছে। অবাক করা বিষয় হলো, ফুলটি চাষ না করেই আমরা এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি। শুধু পঞ্চগড় নয়, সারা দেশেই এই মৌসুমে ফুলটি ফোটে।’

ভাঁটফুল (Clerondendron viscosum) ছোট আকৃতির নরম শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট ঝোপজাতীয় গুল্মশ্রেণির বহুবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ। ফুলটি বসন্তকালেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ফুলটি নানা কারুকাজে ভরা। এ ফুলের পুংকেশর, পাপড়ি, পাতা ও কাণ্ডকে প্রকৃতি নিখুঁতভাবে সাজিয়েছে। ফুলের পুংকেশরই এ ফুলের প্রধান সৌন্দর্য। সাদা রঙের এ ফুলে আছে পাঁচটি পাপড়ি। প্রতিটি ফুলের অভ্যন্তরে বেগুনি রঙের ঢেউ ফুলটিকে করেছে আরও আকর্ষণীয়।

পঞ্চগড়ের ভজনপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী পঞ্চগড় জেলা সংসদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাঁরা নার্সারি নিয়ে কাজ করেন এবং ফুল ও উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা করেন, তাঁরা আমাদের গ্রামীণ এ ফুলের সৌন্দর্য ও উপকারিতা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জানাতে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারেন।’

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন