বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাতি রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান বনমন্ত্রী।

শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য, সব প্রাণী রক্ষার দায়িত্ব বন বিভাগের। বন বিভাগের সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। আপনার এলাকায় যদি একটি বন্য প্রাণী মারা যায়, তাহলে দায়িত্ব সকলের। যাঁর এলাকায় বন্য প্রাণী মারা যায়, দায়িত্ব সেখানকার ফরেস্ট গার্ড থেকে ডিএফও, সিএফও সকলের।’

কোনো অবস্থায় যেন এ রকম অনভিপ্রেত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য জনসচেতনতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বনমন্ত্রী।

শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘হাতি যদি ফসলের ক্ষতি করে, তার ক্ষতিপূরণ আমার সরকার দিচ্ছে। তাহলে কেন সে হাতি মারা হবে?’

জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, হাতি মৌলভীবাজার এলাকায়ও আছে। ১৫ থেকে ২০টি বন্য হাতি ১ মাস ধরে আছে। ধানখেতে হাতি নেমে ধান খেয়ে নেয়। লোকজন বলেন, হাতি ধান খেয়ে নিচ্ছে। কিন্তু তারপরও তো তাঁরা হাতি মারেন না।

এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বনভূমির পরিমাণ ২৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে জানিয়ে শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘সামাজিক বনায়ন ও উপকূলীয় বনায়নের মাধ্যমে আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। বঙ্গবন্ধু সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। আজকের বিশ্ব যা চিন্তা করছে, অনেক আগে বঙ্গবন্ধু তা চিন্তা করেছিলেন।’

৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে বন ক্যাডারের নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষকদের দুই মাসব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কোর্সের সমাপনী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক ও উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. মঈনুদ্দিন খান।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন