default-image

টানা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থার মধ্যে গতকাল বুধবার রাতে কিছু অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির পর দেশের তাপমাত্রা বেশ কমেছে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) এ তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।

আগামী তিন দিন, অর্থাৎ শনিবার পর্যন্ত, গরম তুলনামূলকভাবে কম থাকারও পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শনিবারের পর তাপমাত্রা আবার বাড়তে পারে।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবারও দেশের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজ রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। দু-এক জায়গায় শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।’

গত রাতে সারা দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে ঝড়, দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। তখনই দেশে তাপমাত্রা কমে যায়। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, রাতে ঢাকায় বৃষ্টির চেয়ে বরং বাতাস বেশি ছিল, যা ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

গতকাল সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় টাঙ্গাইলে, ২৯ মিলিমিটার। এ ছাড়া ঈশ্বরদীতে ছিল ২২ মিলিমিটার। এ ছাড়া বগুড়াসহ রাজশাহীর বেশ কিছু জায়গায়, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, সিলেট ও সৈয়দপুরে কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে।

গত কয়েক দিন যখন গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, তখনই এই বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া একটু স্বস্তি দিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গরম অনুভূত হয় রাজশাহীতে। টানা কয়েক দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল সেখানকার তাপমাত্রা। যদিও গতকাল সেখানকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খুলনা বিভাগের যশোরে, ৩৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিভাগটির কয়েকটি এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি বা তার বেশি। এ ছাড়া অন্য যেসব এলাকায় তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল, সেগুলো হচ্ছে ঢাকা শহরে সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বরিশালে ৩৬ দশমিক ৬, রাঙামাটিতে ৩৭ দশমিক ৫ ও শ্রীমঙ্গলে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন