আইসিএবির সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষণা পরিচালক এম এ রাজ্জাক, দ্য বিজনেস ইনসাইডার বাংলাদেশের সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, আইসিএবির সভাপতি মো. শাহাদাৎ হোসেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শুভাশীষ বসু, সহসভাপতি এন কে এ মবিন, সাবেক সভাপতি এ এফ নেছার উদ্দীন, মুহাম্মদ ফারুক ও জামালউদ্দীন আহমেদ।

সাংবাদিক প্রতিনিধিদের মধ্যে দৈনিক প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন, বিজনেস ইনসাইডারের সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, দৈনিক সমকাল–এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু হেনা মুহিব ও কাসেম হুমায়ুন বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সাব্বির আহমেদ।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে সুদসহ নির্মাণ খরচ রাষ্ট্রকে ফেরত দিতে পারবে। কিন্তু বাকি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কতটা হবে, তা নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ডের ওপর।

অনুষ্ঠানে মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের সক্ষমতা, সুনাম ও সমৃদ্ধি বাড়িয়েছে। উচ্চ আয়ের দেশ হতে গেলে ভবিষ্যতে আরও অনেক বড় প্রকল্প আমাদের করতে হবে। সেই সব প্রকল্পের জন্য যখন আন্তর্জাতিক টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যেতে হবে, তখন পদ্মা সেতু তৈরির দক্ষতা ও সুনাম কাজে লাগবে।’

পদ্মা সেতুর মাধ্যমে আঞ্চলিক বৈষম্য কমবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ এম এ রাজ্জাক। ইতিমধ্যে সেতুর ইতিবাচক প্রভাব পাওয়া যাচ্ছে।

প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন বলেন, ‘যমুনা সেতু যখন হয়, তখন আমরা উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে অনেক লেখালেখি করতাম। এত বছর পরও আমরা ঘুরেফিরে সেই কথাগুলোই বলি। উল্টো যাতায়াত সহজ হওয়ার কারণে ঢাকায় মানুষের চাপ বেড়েছে। পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রেও যেন সেটা না হয়।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন