অভিমত

আদায় নেই, তাই সুদসহ ঋণ বাড়ছে

বিজ্ঞাপন
default-image

বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ছে, এটা পুরো সত্য। তবে বাস্তবতা হলো, ঋণ আদায় নেই, তাই সুদসহ প্রতিনিয়ত ঋণের স্থিতি বাড়ছে। এটাকে পুরোপুরি ঋণ বাড়ছে বলা যায় না। এর পাশাপাশি প্রণোদনা প্যাকেজে কম সুদে দেওয়ার কারণে অনেকে ঋণ নিচ্ছে। তবে বড় ব্যবসায়ীরা ঋণ নিলেও এসএমই খাত এখনো ঋণবঞ্চিত। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা খাতটি সমস্যায় পড়েছে। ৯ শতাংশ সুদে ঋণের খরচ না ওঠায় ব্যাংকগুলো এদিকে আগ্রহ পাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পোশাক খাতে যেসব ঋণ যাচ্ছে, তার সুফল আমরা পাচ্ছি। ভালো রপ্তানি আয় হচ্ছে। তবে বিভিন্ন খাতে যেসব ঋণ যাচ্ছে, তার যথাযথ তদারকি করা প্রয়োজন। নিশ্চয়ই ব্যাংকগুলো ভালো গ্রাহক খুঁজে ঋণ দিচ্ছে। এখন যদি চাপে পড়ে কোনো ব্যাংক ঋণ দেয়, তাহলে সমস্যা বাড়বে। কারণ, প্রণোদনার ঋণের টাকা আদায়েই ব্যাংকগুলোকে বড় সমস্যায় পড়তে হবে। খেলাপি ঋণ অনেক বেড়ে যাবে। এখন যেভাবে খেলাপি ঋণ ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে, এভাবে তো আজীবন চলবে না। ব্যাংকগুলোকে ঋণ আদায়ে নতুন করে মাঠে নামতে হবে। কারণ, গ্রাহকদের অনেকেই কিস্তি দেওয়ার কথা ভুলে গেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অর্থনৈতিক ক্ষতের প্রকৃত চিত্র ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বোঝা যাবে। যখন ঋণ পরিশোধের সময় হবে, তখন ব্যাংকগুলো সমস্যায় পড়বে। এর প্রস্তুতি হিসেবে ব্যাংকগুলোকে এখন বড় অঙ্কের নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখা প্রয়োজন। সারা বিশ্বের ব্যাংকগুলো এই প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন যেহেতু ব্যাংকগুলো সতর্ক, তাই অনেক উদ্বৃত্ত তহবিল থাকবে। ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল-বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারে, তবে সেখানেও সুদ কমেছে। করোনার পর যখন ঋণ পরিশোধ শুরু হবে, তখন যত বেশি প্রতিষ্ঠান ভালো থাকবে, দেশের জন্য ততই ভালো। এতে ক্ষতি কম হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন