বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রঙ বাংলাদেশ জানায়, ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ চেক দিয়ে রঙ বাংলাদেশ থেকে গিফট ভাউচার নিয়ে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। তবে রঙ বাংলাদেশের অর্থ পরিশোধ করেনি। এ বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করলেও ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ নানাভাবে কালক্ষেপণ করে। পরে ই-ভ্যালি থেকে পাওয়া চেকের অর্থ নগদায়নের জন্য ব্যাংক উপস্থাপন করলে জানা যায়, বন্ধ ব্যাংক হিসাবের একটি চেক দিয়েছে ইভ্যালি। বাকি দুটি চেক ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় প্রত্যাখ্যাত হয়।

দেশীয় এই ব্র্যান্ডটি বলছে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালির চেক জালিয়াতির কারণে সাধারণ ক্রেতা ও রঙ বাংলাদেশ উভয়েই ভুক্তভোগী। কারণ ইভ্যালির চেকের বিপরীতে টাকা পায়নি রঙ বাংলাদেশ। অন্যদিকে গিফট ভাউচার ব্যবহার করে অনেক ক্রেতা কেনাকাটাও করতে পারছেন না। সুনামের স্বার্থে রঙ বাংলাদেশ ইভ্যালির থেকে পাওয়া টাকার অনেক বেশি অর্থের পোশাক গিফট ভাউচারের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে বাকি গিফট ভাউচার ব্যবহার করে কেনাকাটা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জানতে চাইলে রঙ বাংলাদেশের কর্ণধার সৌমিক দাশ প্রথম আলোকে বলেন, ইভ্যালি তাদের বন্ধ ব্যাংক হিসাবের ৫৮ লাখ ২৮ হাজার টাকার চেক দেয়। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ২৫ লাখ ৯৭ হাজার ও ৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকার পৃথক দুটি চেক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তার বাইরে গিফট ভাউচারের নিলেও ১০ লাখ টাকার কোনো চেকই দেয়নি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কয়েকটি লেনদেন স্বাভাবিক ছিল। পরে নানা অজুহাতে অর্থ পরিশোধ করেনি ইভ্যালি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন