বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ই-ক্যাব চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। এতে বলা হয়, অর্থ আত্মসাৎ, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা, ই-ক্যাবের কারণ দর্শানো ও সতর্কীকরণপত্রের জবাব না দেওয়া, ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা প্রতিপালন না করা এবং এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করায় চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

ই-ক্যাব জানায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ই-ক্যাব ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখে বাড়তি তদন্ত চলছে।

ই-ক্যাব দাবি করেছে, সংগঠনের সব সদস্য প্রতিষ্ঠানকে সঠিক নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে ই-কমার্স খাতের সুনাম রক্ষার অনুরোধ করে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্বাভাবিক অফার বন্ধ করা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা, ব্যাংক ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা প্রতিপালন করা, ভোক্তা অধিকারে আসা অভিযোগ দ্রুত সমাধান করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই অভিযোগে বনানী থানার পুলিশ পরিদর্শক শেখ সোহেল রানার বোন, ভগ্নিপতিসহ পাঁচজনকে প্রতিষ্ঠানটির মালিক উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। শেখ সোহেল রানার বোন ও ভগ্নিপতি চালাতেন ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ই–অরেঞ্জ’।

পুলিশও বলেছে, ই–অরেঞ্জের মূল মালিক পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানার বোন সোনিয়া মেহজাবিন, ভগ্নিপতি মাসুকুর রহমান ও আমানউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি। মামলার পর এই তিনজনই এখন কারাগারে। এজাহারভুক্ত আসামি বীথি আক্তারসহ দুজন পলাতক।
প্রসঙ্গত, ই–অরেঞ্জ প্রতিষ্ঠানটি মোটরসাইকেল, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী অনলাইনে বিক্রি করত।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন