প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নিরাপদ ও নির্ভেজাল প্রোটিনজাতীয় খাবারের গুরুত্ব অনুধাবন ও খাদ্যাভ্যাস তৈরি করতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে প্রোটিন মার্কেট। কোম্পানিটি দেশি জাতের মুরগি, হাঁস, গরু, নিরাপদ চাষের মাছ চাহিদামাফিক সংগ্রহ করে পৌঁছে দিচ্ছে মানুষের দোরগোড়ায়। সেই সঙ্গে কৃষক ও খামারিদের নতুন প্রযুক্তি ও পদ্ধতি প্রয়োগেও তারা সহায়তা করছে। ফ্রি রেঞ্জ ফার্মিং পদ্ধতিতে দেশি মুরগির বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রান্তিক খামারিদের উদ্বুদ্ধও করছে প্রোটিন মার্কেট। রয়েছে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছ চাষ, নিরাপদ মাংস উৎপাদন, সামুদ্রিক মাছ সরবরাহ ও অর্গানিক শুঁটকি উৎপাদনের মাধ্যমে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটানোর প্রচেষ্টা। ইতিমধ্যে ইলিশ নিয়ে ইলিশ কার্নিভ্যালের আয়োজন করে তারা।

শফিউল আলম বলেন, প্রতিদিন আমরা যে মাছ–মাংস খাচ্ছি, তা কতটুকু নিরাপদ ,তা নিয়ে জনমনে যে সংশয় রয়েছে, সেটি নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে প্রসেসিং, পরিবেশনসহ মানসম্মত প্যাকেজিং ও নিরাপদ সরবরাহব্যবস্থার ওপর জোর দেন তারা।

প্রোটিন মার্কেটের সহপ্রতিষ্ঠাতা শারমিন সুলতানা জানান বৈশ্বিক বাজারেও জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছেন তাঁরা। আর এ লক্ষ্যেই তরুণ বিনিয়োগকারীদের এই বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন তাঁরা।

প্রোটিন মার্কেটে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে আসিফ রহমান বলেন, ‘প্রোটিন মার্কেটের ব্যবসায়িক ধারণাটিই নতুন। কিন্তু মানুষ এটি গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ খুবই প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনাগুলো আমরা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। সবকিছু মিলিয়ে আমরা মনে করছি, প্রোটিন মার্কেটের সম্ভাবনা দারুণ। ভালো বিনিয়োগ পেলে একটি টেকসই বিজনেস মডেল হিসেবে দাঁড়াতে পারে।’

উদ্যোক্তা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন