বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের বাইসাইকেল রপ্তানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ। ১৯৯৬ সালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে সরকারি কারখানা কিনে সেখানে বাইসাইকেল তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি। মেঘনা গ্রুপের পরিচালক মো. লুৎফুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, সাইকেলের কাঁচামাল আনতে ১৫-৪৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। সেই হিসাবে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা দিয়ে কিছুই হবে না। শুল্ক কমিয়ে বা ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দিলে বাইসাইকেল উৎপাদকেরা প্রকৃত সুবিধা পেত।

বর্তমানে মেঘনার পাশাপাশি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, আলিটা, ফায়ার-ফক্স ও জার্মান বাংলা কোম্পানি বাইসাইকেল রপ্তানি করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে নতুন চার খাতকে যুক্ত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পণ্য রপ্তানিতেও নগদ সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিশেষায়িত অঞ্চলের (বেজা, বেপজা ও হাইটেক পার্ক) বিদ্যমান সহায়তার আওতা বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান সুবিধা ছাড়াও বিশেষায়িত অঞ্চলের ‘এ’ টাইপ ও ‘বি’ টাইপ প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষায়িত অঞ্চলের সব ক্যাটাগরিভুক্ত প্রতিষ্ঠান দেশের বাইরে অন্যান্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে রপ্তানি প্রণোদনা সহায়তা পাবে।

এ ছাড়া ফ্লোট গ্লাস শিট, ওপাল গ্লাস ওয়্যার, কাস্ট আয়রন ও অ্যালুমিনিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানি ভর্তুকির জন্য বিবেচিত হবে। পাশাপাশি উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন পণ্য (কম্প্রেসর) এবং এইচসিএফসিমুক্ত রেফ্রিজারেটর ইলেকট্রনিক পণ্য হিসেবে কনজিউমার ইলেকট্রনিকস, ইলেকট্রিক্যাল হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স খাতের আওতায় রপ্তানি ভর্তুকি পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রযোজ্য সব খাতে নগদ সহায়তা/রপ্তানি ভর্তুকি/প্রণোদনা সহায়তাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রপ্তানির বিপরীতে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ দেশীয় মূল্য সংযোজন থাকতে হবে। আর নগদ সহায়তার জন্য ১৮০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

উদ্যোক্তা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন