বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে প্রতিবছর কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিশেষ সুবিধায় ঋণ পুনঃ তফসিলের সুবিধা দেওয়া হয়। তারপরও খুব বেশি ব্যবসায়ী সেই সুযোগ নেন না। ব্যাংকগুলোর নিয়ম হলো, আগের বছর নেওয়া ঋণের যে পরিমাণ পরিশোধ, ঠিক সমপরিমাণ নতুন ঋণ বিতরণ করা হবে। গত বছরের ৬৫ কোটি টাকা ঋণের ৪৫ কোটি টাকা আদায় হয়েছে। ফলে এবার চামড়া খাতে ৪৫ কোটি টাকার বেশি বিতরণ হবে না।

default-image

প্রতিবারের মতো এবারও ঢাকা থেকে সাভারের চামড়াশিল্প নগরীতে স্থানান্তর হওয়া কারখানাগুলোকে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বিশেষ ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্য খেলাপি ব্যবসায়ীদের মতো মাত্র ২ শতাংশ টাকা জমা দিয়ে ১০ বছরের জন্য ঋণ পুনর্গঠন, পুনঃ তফসিল বা এককালীন পরিশোধের সুবিধা দেওয়া হয়।

চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, ব্যাংক থেকে খুব বেশি টাকা পাওয়া যাবে না। তাই নিজেদের অর্থায়নেই চামড়া কেনা হবে। স্বাভাবিক রপ্তানি পরিবেশ ঠিক থাকলে এবার চামড়া নিয়ে কোনো সংকট হবে না।

এদিকে চামড়া ব্যবসায়ীদের অর্থায়ন সংকট নিয়ে গতকাল সোমবার আলোচনায় বসে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এতে চামড়ার ঋণকে ব্লক করে নতুন ঋণ দেওয়ার দাবি জানান চামড়া ব্যবসায়ীরা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৭ সালের পর চামড়া ব্যবসায়ীরা ঋণখেলাপি হয়ে গেছেন। ব্যাংকগুলোতে যত টাকা শোধ হয়, তার সমপরিমাণ নতুন ঋণ দেওয়া হয়। ফলে এবারও খুব বেশি ঋণ মিলবে না।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন